রোজার মধ্যে শারীরিক দুর্বলতা কাটানোর ঘরোয়া উপায়।

টমেটোর স্যুপ পান করা। এতে ক্ষুধা বেড়ে যায়। খাদ্য গ্রহণের ইচ্ছা জাগে। তাছাড়াও টমেটোর স্যুপ পান করলে শরীরে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে দুর্বলতা কেটে যায়।

কফি পান করলে মানসিক চিন্তা দূর হয় এবং শরীরের সতেজতা চলে আসে। খাবার গ্রহণের পর কফি পান করলে পেট হালকা অনুভূত হয়। এটি পানে পেটের ছোট-খাট সমস্যা থাকলে তা দূর হয়।

 গাভী অথবা ছাগলের দুধ পান করলে শরীরে শক্তি হয়। পুরুষত্বহীনতা দূর করতে দুধ পান করুন। স্ত্রী সহবাসের পর দুধে ৩-৪ টা বাদাম পিষে মিশিয়ে পান করলে দুর্বলতা কেটে যাবে।

মাংসপেশীর দুর্বলতা কাটাতে সামান্য লবণে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে শরীরে মালিশ করুন। পেশী দুর্বলতা নিমিষেই শেষ হবে!

যৌন দুর্বলতা কাটাতে ফানসা ফল (Asiatic greevia) ফল খুবই উপকারী। পেস্তাদানা পিষে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সেবন করলে দুর্বলতা দূর হয়।

 অসুখ ও রোগভোগের কারণে শরীর দুর্বলহলে নিম ছাল সিদ্ধ করে খেতে পারেন।

খেজুর শক্তিবর্ধক। খেজুরের সাথে মাখন মিশিয়ে খেলে প্রচুর শক্তি পাবেন। শুক্রাণু বৃদ্ধি, নতুন রক্তকোষ তৈরির জন্য প্রত্যহ ৮-১০ টি খেজুর খাবেন।

 ভাল মানের খাবার খেলে শক্তি বাড়ে।

শরীরে ভিটামিন ও মিনারেল বা খনিজের ঘাটতি রোধকল্পে বাঙ্গীর সালাত খান।

 গাজরের হালুয়া শক্তিবর্ধক। দুর্বলও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতিদিন গাজর খাওয়া উচিৎ। দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে গাজরের উপকারীতা সবারই জানা আছে।

 প্রতিদিন সবুজ মেথী সেবন করলে দুর্বলতা দূর হয়। স্ত্রীলোকের গর্ভপাত, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হলে শরীর দুর্বলহয়ে যায়। এসময় মেথী সেবন করলে দুর্বলতা দূর হয়।

 নারিকেল খেলে শরীর মোটা হয়। এটি শক্তিবর্ধকও। চুল ঘন ও মজবুত করতে নারিকেল খাবেন। দিনে কমপক্ষে ৩০-৫০ গ্রাম নারিকেল খাওয়া উচিৎ।

আখ খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। পেটের তাপ দূর হয়। শরীরে শক্তি আসে।

 জয়ফল ও জয়ত্রী ১০ গ্রাম করে একত্রে নিয়ে তাতে ৫০ গ্রাম অশ্বগন্ধা মিশিয়ে প্রতিদিন দু’বার এক চামচ দুধের সাথে মিশিয়ে সেবন করলে রক্ত বৃদ্ধি পায়।

 কাজু বাদাম ও দুধের লেপ পায়ের দুর্বলতা কাটিয়ে তোলে। এই লেপ দিনে ২-৩ বার লাগাতে হয়।

 কিশমিশ শক্তিবর্ধক। দিনে দু’বার কিশমিশ খাবেন।

 ভিটামিনে পরিপূর্ণ পুদিনা পাতা শরীর সুস্থ ও সবল রাখে।

 দুধ, চিনি এবং লজ্জ্বাবতী এই তিনটি একত্রে গরম করে কিছুটা ঠাণ্ডা করে পান করলে দুর্বলতা কেটে যায়।
শরীর দুর্বলতা কাটাতে প্রাকৃতিক ও আয়ুর্বেদিক উপাদান খুবই কার্যকরী। জমজমাট বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা না দিয়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতি মেনে চলে আপনি নিজে, বাচ্চা ও পরিবারসহ সবাইকে সুস্থ রাখুন।

Post a Comment

0 Comments